|
|
 |
প্রধান পাতা
|
লিখেছেন স্বপন
|
|
Friday, 03 July 2009 |
নারী .... নারী শব্দটি শুনলেই মনে হয় একজন অবহেলিত , সহজ সরল আর কোমল হৃদয়ের কোন একজন মানুষ। যার মাঝে রয়েছে অনেক স্বপ্ন অনেক আশা আর ভালবাসা ।
কমলা তার নাম, বিয়ে হয়েছে অনেক ছোট বেলায়। দু-চোখ ভরা অনেক স্বপ্ন ছিল কমলার। সে তার গ্রামের সাথীদের সাথে স্কুলে যাবে, লেখাপড়া শিখবে একদিন অনেক বড় হবে। লেখাপড়া শিখে চেয়েছিল কমলা জীবনটাকে অনেক সুন্দর করে গড়তে। কিন্তু কমলার সেই স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই রয়ে গেল বাস্তবে আর পরিণত হতে পারল না। এখানে কমলার দোষ ছিল যে সে গরীব বাবা-মার সন্তান, তার বাবা-মায়ের লেখাপড়ার খরচ যোগানোর মত কোন সামর্থ্য ছিল না। হঠাৎ করে কমলার বিয়ে হয়ে গেল। স্কুলের সব সাথীদের ছেড়ে কমলা চলে গেল স্বামীর বাড়িতে। কমলার স্বপ্নভরা সে দুটি চোখ দিয়ে এখন শুধু জল পরছে। একদিন-দুইদিন, একমাস-দুইমাস, একবছর-দুইবছর এমন করতে করতে পার হয়ে গেল ২০টি বছর। এই বিশ বছরে কমলার যে স্বপ্ন ছিল তা যদি বাস্তবায়িত হত তাহলে কমলা হয়তো এখন একজন ডাক্তার অথবা অন্য কিছু হতে পারত বা একজন শিক্ষিত মা কিন্তু এখানেই কষ্টভরা মনে বলতে হচ্ছে যে, সেই ছোট কমলা আজ একজন পিঠা বিক্রেতা শুধু তাই নয় কমলা মাও হয়েছেন কিন্তু শিক্ষিত মা নন একজন কর্মঠ দরিদ্র মা। সারাদিন রাস্তায় এককোনে বসে কমলা পিঠা বিক্রি করে। প্রতিদিন চার কেজি চাল গুড়ি করে কমলা চিতই পিঠা আর ভাপা পিঠা বানায়। কমলা পিঠা বানায় আর অপেক্ষা করে কাস্টমারের জন্য। এই পিঠা বিক্রি করে কমলা তার সংসার চালায়। চারটি মেয়ে ও দুটি ছেলে নিয়ে কমলার সংসার। স্বামী বেকার আর ছোট ছোট ছেলেমেয়ে নিয়ে কমলার হতাসার কোন শেষ নেই সারাক্ষন শুধু চিন্তা কিভাবে কমলা ঘড় ভাড়া যোগাড় করবে কিভাবে কমলা স্বামী ও সন্তানদের খাবার যোগাড় করবে। কমলার চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা যায়, মনে হয় বৃদ্ধ হযে গেছে কিন্তু যদি কমলার ছোট বেলায় বিয়ে না হয়ে লেখাপড়া শিখত তাহলে এত তাড়াতাড়ি কমলার চোখে মুখে বৃদ্ধার ছাপ আসত না। এভাবেই কাটছে কমলার দৈনন্দিন । নাহ এটা কোন সত্য কাহিনি নাহ এটা আমার বানানো কাহিনি । কিন্তু আমি যানি নাহ যে আমাদের এই সোনার দেশে আর কত এরকম অন্ধকারচ্ছন্ন কাজ হচ্ছে । প্রতিদিন আমাদের এই দেশে কত নারি অবহেলিত হচ্ছে । আমরা যার মাদ্ধ্যমে এই পৃথীবিতে এই এসেছি তিনি হচ্ছেন আমাদের মা । তিনি নারী জাতি । কিন্তু পৃথীবির সকল নারীজাতিয় আমাদের মা সম্মান । আমাদের সকল নারীকেই সম্মান দেখানো উচিত ।
নারীরা যখন পুরুষের চেয়ে ভাল কোন কাজ করে তখন তা দেখে আমরা মুগ্ধ হই কিন্তু যখন কোন ছোট মেয়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়,যখন তার থেকে বই কেঁড়ে নিয়ে হাতে বিয়ের মেহেদী পড়ানো হয় তখন আমরা ও অবাক হই কিন্তু প্রতিবাদ করতে পারি না, কিন্তু কেন? আমরা কি পারি না আমাদের নারীদের বিপদে তাদের পাশে দাঁড়াতে স্বপ্ন পূরনে সাহায্য করতে আমরা কি এতটাই অক্ষম? কিন্তু অস্বীকার করব না এখনও সেই ভাল মানুষগুলো আছে যারা নারীকে সম্মান করে বিপদে নারীদের পাশে এসে দাঁড়ায়। বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করে শুধু নারীদের জন্য যেমন নারী জীবন একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষিকা এবং বিশেষ করে যিনি নারী জীবনের প্রতিষ্ঠাতা ক্যাথি ম্যাডামকে আজ নারী দিবস উপলক্ষে নারী জীবনের প্রতিটি নারীর পক্ষ থেকে বিশেষ করে আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের বাংলাদেশে এরকম সুযোগ- সুবিধা পেলে আমার মত অনেক নারীরাই প্রতিবাদী হবে জীবন সম্পর্কে জানবে। ঘরে বসে আর অন্যায়কে মেনে নিবে না। আমাদের নারীদেরও কিছু বলার আছে, জানার আছে, দেখার আছে, আমরা বলব, দেখব এবং জানব……….আমার এই পোষ্ট লিখার কারণ আমি গতকাল স্কুল থেকে আসার সময় নিজ চোখে যখন দেখলাম যে একজন নারী অবহেলিত হচ্ছে তখন আমার খুব খারাপ লাগল ।।
প্রথম মন্তব্য কারী হও | পছন্দের তালিকায় যুক্ত কর (0) | পড়া হয়েছে: 4 |
|
বিস্তারিত ...
|
|
|
লিখেছেন সজীব
|
|
Thursday, 02 July 2009 |
|
একসময় (যেই সময়টা আমার জন্য এখনও আছে) রকিব হাসানের লেখা সেবা প্রকাশনীর
"তিন গোয়েন্দা" পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটায়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া
দুষ্কর। এখনও তিন গোয়েন্দার বইগুলো আগের মতোই জনপ্রিয় যদিও নতুন গল্পগুলো
ততোটা ভালো হয় না। ব্যাটা শামসুদ্দিন নওয়াব কী সব লেখে পড়তে আগের মতো ভালো
লাগে না। শামসুদ্দিন নওয়াব ফ্যান্টাসি লিখেন। রকিব হাসানের মতো প্রতিটি
কাহিনীর সুন্দর একটা সমাপ্তি টানতে পারেন না। সেজন্যই তিন গোয়েন্দার প্রতি
আগ্রহ হারিয়েছি আমি।
যাই হোক, তিন গোয়েন্দা সিরিজের পুরনো বইগুলো পেলে এখনও পড়ি। রহস্য আর রোমাঞ্চ (আর রোমান্স
) ছাড়াও তিন গোয়েন্দা পছন্দ করার অন্যতম কারণ হলো, তিন গোয়েন্দা গল্পের
মধ্যে অনেক সঠিক তথ্য যুক্ত করা হয়। গ্লোবাল, হিস্টোরিক ইত্যাদি বিভিন্ন
বিষয়ে রকিব হাসান তার নিজের জ্ঞান কল্পিত গল্পের মধ্যে ঢুকিয়ে গল্পকে করে
তুলেন অসাধারণ। এ জন্যই তিন গোয়েন্দা আমার বেশি পছন্দ।
তো সেদিন তিন গোয়েন্দার ভীষণ অরণ্য গল্পটি পড়লাম কম্পিউটারে। গল্পের একটা
জায়গায় জায়ান্ট অ্যান্টইটার বা পিঁপড়েখেকোর কথা বলা আছে। পড়ার সময়ই আমি
জানতাম যে তথ্যটি সঠিক। কিন্তু কখনো যাচাই করতে পারিনি। তখন ইন্টারনেট
ছিল। তাই জায়ান্ট অ্যান্টইটার আসলেই কোনো প্রাণীর নাম কি না, এটা খুঁজের
বের করতে গিয়ে বেরিয়ে পড়লো চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। জায়ান্ট পিঁপড়েখেকো নামে
সত্যিই একটা প্রাণী আছে এবং এটার দৈহিক বর্ণনা তিন গোয়েন্দায় লেখা বর্ণনার
সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। তখন মুসার মতো আমিও অবাক হতে বাধ্য হলাম, এতবড়
প্রাণীটা শুধু পিঁপড়ে খেয়ে বেঁচে থাকে?
(আরো তথ্য ও ছবি ভিতরে) মন্তব্যসমূহ (4) | পছন্দের তালিকায় যুক্ত কর (0) | পড়া হয়েছে: 119 |
|
বিস্তারিত ...
|
|
|
লিখেছেন স্বপন
|
|
Wednesday, 01 July 2009 |
আমার একটা অভ্যাস আছে প্রায় সময় আমি রাতের বেলা বই পরি বই পরলে ঘুম টা ভালো হয় । ভালো ভালো স্বপ্ন ও নাকি দেখা যায় । বই না পরলেও অনেকে ভালো স্বপ্ন দেখে আবার বই না পরলে অনেকে আজাইরা স্বপ্ন দেখে যেমন গত কাল অলি আমারে বলে যে ও নাকি রাতের বেলা স্বপ্ন দেখেছে যে ও নাকি গ্রীন লাইনে গেসে এ। ঐ খানে নাকি ও একা একাই গ্রীন লাইনের বাস ঠেইলা নিয়া যাইতেসে .. এই রকম আরো কত স্বপ্ন না যানি ও দেখে যাই হোক আমার পোষ্ট স্বপ্ন নিয়া নাহ .. ঐ দিন রাতের বেলা বই পরছিলাম ঘুমানোর সময় . বইটার নাম হচ্ছে “AMAZING WORLD” .বই টাতে আমি দুইটা বিস্ময়কর লেখা পরলাম । আজকে ঐ দুই টার একটা তোমাদের সবার সাথে শেয়ার করব ...
বইয়ের থেকে ধারণাঃ
পৃথীবিতে একোটা যায়গা আছে এই যায়গা টার নাম কেও শুনছো কিনা আমি জানি নাহ । এই জায়গার নাম হচ্ছে উত্তর বার্মার ছন জঙ্গল । লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন যার নাম দিয়েছিলেন ‘THE LAKE OF NO RETURN” এই কথা টার মানে মনে হয় সবাই বুঝতে পারছ , অর্থাৎ যেখান থেকে কেও ফিরে আসতে পারে নাহ । হুম ... এই স্থান এ থেকে কেও এই পর্যন্ত ফিরে আসতে পারে নি.. এই হ্রদ থেকে এই পর্যন্ত কোন মানুষ ফিরে আসতে পারে নি । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এ অঞ্চলে একটি রাস্তা তৈরি হয়েছিলো । সেই সময়ি যানা যায় এই রহস্যময় স্থানের কথা । প্রকাশিত হয় এর অলৌকিক ক্ষমতা । এ হ্রদে যে যে সব মিলিটারি ফোর্স পাঠানো হতো যারা লেকের কাছাকাছি ‘পাভাস’ নামের একোটি যায়গা অতিক্রম করার সাথে সাথে অদৃশ্য হয়ে যেত ।অর্থাৎ ঐ খান এ কোন মানুষ ফিরে আসতে পারত নাহ । এ ভুতুরে রহস্যের জন্য ঐ অঞ্চলের উপজাতিরা সেখানে যায় নাহ যেতে ভয় পায় । কয়েকজন লোক বিশেষ অনুমতি নিয়ে কয়েকটি হেলিকপ্টারে করে সেই অঞ্চলে যায় , তারা তাদের অদ্ভুদ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছে । এই অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি আশ্চর্যজনক ভাবে সবসবয় পরিবর্তিত হয় । ফলে এটি সত্যি টলটলে পানি , না পরিত্যাক্ত জলাভূমি , না একখন্ড জঙ্গলের জমি তা সঠিক ভাবে জানা যায় না । এক হেলিকপ্টার আরোহি জানিয়েছে , এই লেকের উপর দিয়ে যাবার সময় তার পূর্ণ যৌবন ফিরে আসে । মানে সে আবার তার যৌবন ফিরে পায় । ওখান থেকে সরে যাবার সাথে সাথে আকস্মিক পরিবর্তন হয় পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে ।আরেক জন হেলি কপ্টার চালক জানিয়েছেন তখন নাকি তার সাদা লোমগুলো কালো হয়ে যাচ্ছিলো আর ওখান থেকে চলে আসার সাথে সাথে তা আবার সাদা হয়ে যাচ্ছিলো । ঐ খান কার বার্মিজ ও ভারতীয় অধিবাসীরা জানিয়েছেন যে রাত হবার সাথে সাথে নাকি ঐ খানে কিছু দূর্বোধ্য শব্দ হয় যা খুবি ভয়ংকর হয় । তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজঙ্ক বিষয় হচ্ছে যে ঐ লেকের ছবি এই পর্যন্ত কোন কেমেরায় ধারন করা যায় । যখনি কোন ক্যামেরায় ঐ যায়গার ছবি তুলতে যাওয়া হয় তখন নাকি ছবি টা হঠাত করে সাদা হয়ে যায় । খুব ই আশ্চর্য জনক তাই নাহ । কিন্তু এটা একবারে পাক্কা সত্যি কথা ।
আমার ধারনাঃ
আমি যেই বইয়ে পরেছি এই লেখা টা ঐ বইয়ে ঐ লেকটার একটা ছবি স্কেচ করে আকা আছে । তবে আমার দুইটা জিনিস মনে হয় ...... প্রথমত আমার মনে হয় যে ঐখানে কোন অনাবিষ্কৃত রহস্যময় রশ্মি আছে যার কারনে ঐ যায়গাটার ছবি তোলা যায় নাহ । আর দ্বিতীয় কথা আমি একবার শুনেছিলাম যে পৃথীবিতে নাকি একটী অনাবিষ্কৃত কৃষ্ণগহবর(BLACK HOLE) আছে আমার যতটূকু মনে হয় যে সেই কৃষ্ণগহবর টী ঐ খানে লুকায়িত আছে । জানি নাহ কতটুকু সত্য .. তবে আমার মনে হয় যে এই ঘটনা টা সত্য কারণ এসব বইয়ে কোন মিথ্যা ঘটনা অথবা কথা লিখা থাকতে পারে নাহ ... আরো বড় কথা হল যে আমাদের স্কুলে এবার একটা ম্যাগাজিন ছাপা হয়েছে সেইখানে অবিকল এই জিনিশ টা লিখা আছে তখন আমি সম্পূর্ণ নিশ্চিত হই এ জায়গাটা সম্পর্কে । আসলেই কত যে আশ্চর্য আছে এই পৃথীবিতে আল্লাহ ই যানে .....
মন্তব্যসমূহ (3) | পছন্দের তালিকায় যুক্ত কর (0) | পড়া হয়েছে: 125 |
|
বিস্তারিত ...
|
|
|
লিখেছেন মুন্না
|
|
Thursday, 02 July 2009 |
১.
১৯০০ সাল, মায়েরা নিজেদের মেয়েদেরকে বলতো, "আর যাই করিস মা, বিয়ে করলে অন্তত নিজের রাষ্ট্রের মধ্যে করিস।"
১৯২৫ সাল, মায়েরা মেয়েদেরকে বলতো, "আর যাই কর মা, বিয়ে করলে অন্তত নিজের লেভেলের মধ্যে করিস।।"
১৯৫০ সাল, মা বলতো, "মা, অন্তত নিজের ধর্মের মধ্যে করিস।।।"
১৯৭৫ সাল, মা বলতো, "অন্তত নিজের দেশের মধ্যে করিস।"
আর এখন মায়েরা বলছে, "বিয়ে করলে অন্তত একটা ছেলেকে করিস।।।।।।।।। "
২.
সেইদিন গিন্নী রান্না করে কর্তাবাবুকে দিয়ে বললেন,
: এই, টেস্ট করে একটু বলোনা রান্নাটা কেমন হয়েছে?
> একদম গোবরের মতো হয়েছে!!!
: বাব্বা, কতোকিছু টেস্ট করে রেখেছে.........
৩.
সেদিন আংকেল আন্টিকে বলছে,
: জানো, আমি যখন কথা বলি। তখন আমার হাতগুলোকে কোথায় রাখবো ভেবে পাইনে।।।
> কেন? নিজের মুখে রাখলেইতো পারো।।।   
৪.
সেদিন রাতে এক লোক ছুটে এসে পাড়ায় চেচামেচি শুরু করে দিল.....
: দাদা দাদা..... জলদি আসুন। আমাদের বাড়িতে ডাকাত পড়েছে। দাদা....আমরা খুব গরীব মানুষ।
লোকজন সবাই ঐ লোকের বাসায় চলে গেল....
> কই কই??? দেখি।
: পাশের বিল্ডিংটার ফ্লাট থেকে চুরি করে পালাবার সময় আমাদের চালের উপর পড়ে হাত-পা ভেঙ্গে উঠোনে পড়ে আছে।।।।
জোকস্-গুলা গতকালকে রাত্রে মীরাক্কেল জুনিয়রে শুনছি। রেকর্ড করে রাখছিলাম। সেইটাও দিয়া দিলাম। এই চারটা জোকসের পাশাপাশি আরো অনেকগুলা জোকস্ বলছে এই পারফর্মার। তোমরা শুনতে চাইলে এখানে ক্লিক করো।।।। মন্তব্যসমূহ (3) | পছন্দের তালিকায় যুক্ত কর (0) | পড়া হয়েছে: 129 |
|
বিস্তারিত ...
|
|
|
লিখেছেন সিটিজি৪বিডি
|
|
Tuesday, 30 June 2009 |
|
আল্লাহতায়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন, আবার তার হুকুমেই আমাদেরকে মৃত্যু বরণ করতে হবে। আমরা সবাই দুনিয়াতে সুন্দর সুন্দর বাড়ী বানিয়ে বসবাস করি কিন্তু মৃত্যুর পর আমাদেরকে কোথায় রাখা হবে? আমি নাম দিয়েছি আগামী দিনের বাড়ী যেখানে কেয়ামত পর্যন্ত আমাদেরকে থাকতে হবে।
আসুন আগামী দিন বাড়ী কেমন হবে ছবির মাধ্যমে জেনে নিই।
আর হাঁ সবাই সৃষ্টিকর্তাকে স্বরণ করুন। নিয়মিত নামাজ পড়ুন, হালাল খাবেন, হারাম খাবেন না, সত্যকথা বলবেন, মিথ্যা কথা বলবেন না, প্রতিবেশীর প্রতি সদয় হোন, পিতা মাতে শ্রদ্ধা করুন। তাহলে মৃত্যুর পর আরামেই আগামী দিনের বাড়ীতে থাকতে পারবেন। সবাই ভাল থাকুন ও সুস্থ থাকুন। মন্তব্যসমূহ (4) | পছন্দের তালিকায় যুক্ত কর (1) | পড়া হয়েছে: 147 |
|
বিস্তারিত ...
|
|
|
লিখেছেন নতুন
|
|
Tuesday, 30 June 2009 |
গতকাল বিকেলে আমার এক বন্ধুকে নিয়ে ঢাকা'তে প্রথমবারের মতো হারাতে চেয়েছিলাম! মানে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। বিজয় সরণী মোর পার হয়ে নভোথিয়েটারের কাছে যেতেই চমকে উঠলাম!!! গত কিছুদিন আগেও যেটির নাম ছিল "ভাসানী নভোথিয়েটার" কাল দেখলাম সেটার নাম হয়ে গেছে "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার"!!! তখন আমার বন্ধুটি বলল- একটু আগেই তোর "সীমাবদ্ধতা" কবিতাটি পড়লাম, আর এখানেই এর বাস্তব প্রয়োগ!!! তখন আমি ওকে বললাম- ভাসানী কি এ দেশের নির্যাতিত মানুষের জন্য কিছই করেনি? উত্তরে ও বলল- হয়তো বা তাই, তা না হলে নাম পাল্টাতে হবে কেনো? নিশ্চয় কোনো অবদান নেই ভাসানীর! তখন আমি ওকে বললাম- দেশ তো ডিজিটালের দিকে এগুচ্ছে, তাই এমনটি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়!
"সময় এসেছে আজ সব পাল্টে দেবার। সবকিছুকে রঙিন করে সাজাবার; বিশ্বাস না হয় তো গিয়ে দেখতে পারো।"
কখন যে আমাদের নিজের নামটাই পরিবর্তন হয়ে যায় এর নিশ্চয়তা কি???
মন্তব্যসমূহ (1) | পছন্দের তালিকায় যুক্ত কর (0) | পড়া হয়েছে: 128 |
|
|
লিখেছেন জয়া
|
|
Sunday, 28 June 2009 |
|
Hey guys I'm going to write something about all mothers.......I love my mom verrrrrrrry much so I'm writing it for her and also for all of my friend's motherssss......... মন্তব্যসমূহ (8) | পছন্দের তালিকায় যুক্ত কর (1) | পড়া হয়েছে: 175 |
|
বিস্তারিত ...
|
|
|
লিখেছেন বদিউজ্জামান
|
|
Sunday, 28 June 2009 |
|
যে মেয়ে কষ্টে কাঁদে না যে মেয়ে হাসতে জানে তার দুঃখ মিলিয়ে যাবে সময়ের স্রোতে যে মেয়ে আবৃতি করে কন্ঠে সুর তুলে হারিয়ে যায় গানে তার দুঃখ মিলিয়ে যাবে সময়ের স্রোতে শত কাজের মাঝে ও যে দেখে ভাদ্রের পূর্নিমা চাঁদ সন্ধ্যায় পশ্চিমাকাশ দেখে সদ্যজাত বাঁকা চাঁদের উঁকি তার দুঃখ মিলিয়ে যাবে সময়ের স্রোতে দুঃখ ! সে তো মানুষকে নতুন করে বাঁচতে শেখায় নতুন ছাঁচে গড়তে শেখায় ভুল ভাঙ্গানোর মহামন্ত্র দুঃখ কে আলিঙ্গন যে হারায় না বিশ্বাস- বেঁচে থাকার তার দুঃখ মিলিয়ে যাবে সময়ের স্রোতে যে মেয়ে সুশীলা, লতানো সবুজ লতা নামে যে রহস্যময়ী কিন্তু সহজ-সবল-প্রিয়ংবদা সুখ, তাকে ফেলে থাকে কি করে? আর দুঃখ ! সে তো মিলিয়ে যাবে সময়ের স্রোতে ।। ----- বদিউজ্জামান সাগর ( ১৬/৯/৯৬ ইং)
মন্তব্যসমূহ (2) | পছন্দের তালিকায় যুক্ত কর (0) | পড়া হয়েছে: 137 |
| |
|
| | << শুরু < আগে 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 পরে > শেষ >>
| | ফলাফল 1 - 10 মোট 577 |
© কপিরাইটঃ এই সাইটের সকল তথ্য এবং ছবির স্বত্বাধিকারী নগর বালক টিম।
|
|