সত্য কখনো গোপন থাকে না

ব্লগার: Maradona

ট্যাগকৃত: বাংলা ব্লগ

Maradona
সত্য কখনো গোপন থাকে না..................শত বাধা উপেক্ষা করে সত্য একদিন আড়াল থেকে বেড়িয়ে আসে..................... শত মিথ্যার বেড়াজাল এর দেয়াল ভেঙ্গে সত্য তার আপন মহিমায়........................নিজের আলো.................. নিজের রং ছড়িয়ে দেয়.................. সত্যকে কেউ কখনো আটকাতে পারে না..................সত্য এর পথে বাধা সৃষ্টি করে তার গতি কমিয়ে দেওয়া যায় কিন্তু সত্য এর মনোবল অদম্য ইচ্ছা কখনো..................... ভেঙ্গে দেওয়া যায় না..................... সত্যকে শত চেষ্টা করে ও গোপন রাখা যায় না একদিন না একদিন.................. সত্য নিজ উদ্যমে আড়াল থেকে বেড়িয়ে আসে

 

পূর্ববতী পর্বগুলোতে অনেকে আমার সাথে একমত হতে পারেন নি । আমি ইভ টিজিং সম্পর্কে একটি সম্যক ধারনা প্রদানের লক্ষ্যে এ ব্লগটি লিখতে আরম্ভ করেছিলাম। অনেকেই হয়তো পুরোপুরি বুঝতে পারেন নি বিধায় কিছু কিছু প্রশ্ন করেছেন। আশা করি সম্পূর্ন ব্লগটি পড়লে তাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
যদিও আমার বিষয়বস্তু ইভ টিজিং নিয়ে।  তদপুরি আলোচনার কারণে কে বা কারা দায়ী সে কথা বার বার চলে আসছে । কেননা সরকার ও জনগণ কোন ভাবেই এটা প্রতিরোধ করতে পারছে না। প্রতিনিয়ত আন্দোলন, মানববন্ধন, সেমিনার হয়েই যাচ্ছে।আর এগুলোর মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে ছেলেরা ইভ টিজিং করতে পারবে না। করলে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই । ছেলেরা যেন ইভ টিজিং না করে  সেজন্য সতেচন  হতে বলা হচ্ছে। কিন্তু মেয়েদেরকে কিছুই বলা হচ্ছে না। তারা যেন চিরনিষ্পাপ!


বেশ কিছুদিন ধরেই একটি জিনিস লক্ষ্য করছি নগরবালকে কি যেন একটা শুরু হয়েছে। জানিনা কেন এটি হচ্ছে। মানুষের ও দেশের জন্য কিছু একটা করতে যাওয়া হয়তোবা অনেক দোষের কিছু তাই হয়তো সবাই আমাদের সাথে এমন করছে। ছোট ছোট জিনিসকে ইস্যু করে বড় বড় কাহিনী করা হচ্ছে যা কিনা অকাম্য। আমি এই লিখাটি বিশেষ করে অবনীল কে নির্দিষ্ট করে লিখছি। তার মতে আমরা ঠিক মত সাইটটি চালাতে পারছিনা। আমাদের নিয়ন্ত্রনে সমস্যা রয়েছে। প্রথমে বলে দেই নগরবালক.কম একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান।


আমাকে বাতিল বলে

ব্লগার: Maradona

ট্যাগকৃত: বাংলা ব্লগ

Maradona
আমি ছিলাম তোমাদেরই একজন ছিলাম আমি তোমাদেরই মাঝে সবদা ছিলাম তোমাদেরই পাশে কিছুই কি করিনি তোমাদের জন্য এই ভাবে আমাকে তোমাদের ভালবাসার প্রতিদান দিলে আমাকে বাতিল বলে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়ে...........

গাছ কেটে 'রবি'র বিলবোর্ড

ব্লগার: Nejam Kutubi

ট্যাগকৃত: বাংলা ব্লগ

Nejam Kutubi

কক্সবাজার শহরের লাবণী মোড়ে 'রবি'র মোবাইল ফোন অপারেটরের বিলবোর্ড লাগানোর জন্য ২০-২৫টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। গাছ কাটার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বাহারছাড়া এলাকা থেকে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেকটর (এনডিসি) আলমগীর কবির এই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দেন।

গ্রেপ্তার করা ব্যক্তি হলেন- ওসমান গণি বাবুল ওরফে কাটা বাবুল। তার বাড়ি দক্ষিণ বাহারছড়ায়।

বিজ্ঞাপনী সংস্থা নকশীকাঁথা বিলবোর্ডটি স্থাপনের কাজ করছে। তারা ওসমানকে দিয়ে গাছগুলো কাটিয়েছে।

নকশী কাঁথার বিপণন কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, তারা মোবাইল ফোন অপারেটর 'রবি'র বিলবোর্ড স্থাপন করছেন। এর আশপাশে সৌন্দর্য্যবর্ধনের কাজ হবে। সেজন্য গাছগুলো কাটা হয়েছে।

এ ঘটনায় রাতেই জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ থানায় মামলা করে বলে পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট (এসপি) নিবাস চন্দ্র মাঝি জানিয়েছেন।

"আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ওখানে ২০-২৫টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।"

ঘটনাস্থল থেকে কেটে ফেলা গাছগুলো জব্দ করেছে প্রশাসন।

“Morning shows the day, is it true?” সত্যি বলতে আমার এটা সত্যি বলে মনে হয় না। এই যে আজকের দিনটা সকাল থেকেই মেঘাচ্ছন্ন, তাই বলে যে আজকের দিনে সূর্য উঠবে না এমন কি বলা যায়? কিংবা কোমদিন সকালে উঠে যদি দেখি আজকের দিনটা ঝকঝকে তকতকে রৌদ্রজ্জল একটা দিন, তো কি ধরে নেব? আজকের দিনটায় আকাশে মেঘ দেখা অসম্ভব?

ধরুন এক্ষেত্রে আমি একটা বাস্তব উদাহরন।হ্যা আজকে আমি সম্পূর্ন আমার কথাই লিখব। বাস্তব আমি, আমি এই ভূত। আমার ছোট বেলা থেকে আজ পর্যন্ত যেসব উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে, তার যতটুকু আপনাদের সাথে শেয়ার করা সম্ভব ততটুকু আমি আজ আপনাদের বলব। কেন বলব? কোন কারন নেই। না আসলে কারন আছে। কারনটা হল “Morning shows the day” এটাকে বাস্তব উদাহরন দ্বারা ভুল প্রমানিত করা। কিন্তু কেন এই ভুল প্রমানিত করার প্রচেষ্টা তা আমার জানা নেই।

আমার সকালবেলা (অর্থাৎ ছেলেবেলা):
আমি ছোটবেলায় ছিলাম অত্যন্ত শান্তশিষ্ট একটি মেয়ে। যাকে নিয়ে বাবা-মা ও বিশেষ করে আমার বড় ভাইয়ের অনেক স্বপ্ন ছিল (হ্যা ছিল বলাই ভাল)। এই স্বপ্নের অনেক কারনও ছিল। একসময় ধারনা করা হত আমার মত শান্তশিষ্ট (লেজ বিশিষ্ট) মেয়ে আর দুনিয়ায় দ্বিতীয়টি নেই। আমাকে যেভাবে বসিয়ে রাখা হত আমি সেভাবেই বসে থাকতাম। চুপ থাকতে বললে চুপ থাকতাম, ঘুমাতে বললে ঘুমাতাম, খেতে বললে খেতাম (অবশ্য খাওয়া নিয়ে বহুত ঝামেলা আছে, ছিল এবং থাকবে) এই রকম ধরনের একজন। 
তাছাড়াও আমি সকল পরীক্ষায় ১০০ তে ১০০ পেতেই বেশি অভ্যস্ত ছিলাম। পাওয়ার কারনও ছিল, সেই বয়সেই আমার আঁতলামির সীমা ছিল না। রোজ স্কুল থেকে এসে পড়তে বসতাম। ক্লাস ওয়ানে যে আমি অত কি পড়তাম আল্লাহ্ই জানে। এখন মনে হয় অতটুকু পড়লেও অনেক ভাল করতাম। এভাবে করে গেল ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত। ক্লাস ফাইভে বৃত্তি পরীক্ষা দিলাম বৃত্তি পেলাম না, অতঃপর কান্নাকাটি আঁতলামির পরিমান বৃদ্ধি। এভাবে গেল আমার জীবনের কাক ডাকা ভোর।
এখন আসা যাক কাক ডাকা ভোরের পরের বেলায়। ক্লাস সিক্স থেকে সেভেন এ ওঠার পরও ভাল করেই চালিয়ে গেলাম পড়া লেখা। উঠলাম ক্লাস এইটে। এবার চিন্তা হল যেভাবেই হোক না কেন এবার আমাকে বৃত্তি পেতেই হবে। তখনকার কথা মনে পড়লে আজকের আমিকে আমি নিজে চিনতে পারি না। সকালে উঠে পড়া শুরু করতাম পড়া শেষ করে ১০:৩০ এ স্কুলে যেতাম এসে কিছুক্ষন রেস্ট নিয়ে আবার পড়তে বসতাম। সেই পড়া কোন কোন দিন রাত ৪ টা ৫ টা পর্যন্ত চলত। তখন পড়াই ছিল আমার জীবন মরন। 
আমাদের সময় বৃত্তি পরীক্ষা সিডরের কারনে প্রায় ১ মাস পিছিয়ে জানুয়ারির ৮ তারিখে যাওয়ার সাথে সাথে আমার পড়ালেখায়ও ছেদ হল, আর সেটাই ছিল আমার বিধি বাম। আমার আঁতলামির অবসান ঘটল।

অতঃপর রোদেলা দুপুরঃ
এই রোদেলা দুপুরে এসেই আমি আঁতেল থেকে হলাম মহা ফাঁকিবাজ। এত পড়ার কথা আর কোনদিন ভাবতেই পারলাম না। আমার, আমার বাবা-মা, ভাইয়া সবার স্বপ্নই মলিন হল। হয়ত মুছে যায় নি পুরোপুরি কিন্তু বাস্তবায়নের সম্ভাবনা অনেক কম।

এখন আমাকে যদি আমার সকালবেলা দিয়ে বিচার করা হয় তাহলে আমাকে কি মনে করা হবে? কিন্তু বর্তমান আমি কি আসলেই তাই? তাই নই। তাই বলব “Morning doesn’t show the day………”

বরং জীবনের শেষে যা অবশিষ্ট থাকে সেটাই ultimate result.



Blog নিয়ে কিছু কথা

ব্লগার: Maradona

ট্যাগকৃত: বাংলা ব্লগ

Maradona

আমরা ব্লগ সমন্ধে কম বেশি সবাই জানি ব্লগ হচ্ছে আধুনিক যুগের এক প্রকার ডায়েরী................. ডায়েরী বলছি এই কারনে ডায়েরী তে আমরা নিজের জীবনের নানা ধরনের কথা লিখে রাখি কিন্তু প্রযুক্তি এর কল্যানে তা আমরা ব্লগ এর মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারি। কিন্তু আমাদের দেশ এ ব্লগ ঠিক ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না আজকাল দেখা যায় ব্লগ এ সবাই রাজনিতি নিয়ে বেশি লেখালেখি করি ব্লগ এ আমরা নিজের জীবনের কথা লেখবো যেমন আমরা প্রতিদিন কি করছি বা সামনে কি করতে পারি কোথাও ভ্রমনে গেলে বা কোন ভালো ছবি দেখলাম বা ভালো কোন খাবার খেলাম বলতে চাচ্ছি আমার সকল পাঠকের কাছে যে ব্লগ এ নিজের জীবনের সকল বিষয় তুলে ধরুন। ব্লগ এ শুধু নিজের বিষয় লিখবেন তা না অন্য বিষয় সমন্ধে লিখবেন কিন্তু এমন বিষয় নিয়ে লিখেন যা আগে কেউ চিন্তা করেনি রাজনীতি বা নিউজ পেপার লিখার কোন দরকার নাই। ব্লগ এ উপন্যাস,কবিতা, গল্প বা ভ্রমন কাহিনী কিন্তু সেগুলো হতে হবে  নিজের তৈরী লেখা তাহলেই আপনার ব্লগ লেখা সাথক হবে অনেকেই আবার ব্লগ লিখতে চায় না কারন চিন্তা করে আমি কি ভালো লিখতে পারি ব্লগ লেখার জন্য আপনাকে ভালো লিখতে হবে এইটা কোন কথা না আপনি যে ভাবে পারেন সে ভাবে লিখুন। আসুন আমরা সবাই ব্লগ লিখি নিজের কথা গুলো তুলে ধরি....................সঠিক ভাবে ব্লগ ব্যবহার করি


চকলেট

ব্লগার: Mezan Khan

Mezan Khan

২৯.০৭.১০ এর্লামের শব্দে সকাল ০৮.০৯ মিনিটে ঘুম হতে জাগলাম।প্রাত কর্ম সমাপ্তি করতে করতে ০৮.৫০ বেজে গেলো।০৮.৫৬ মিনিটে ফোন দিলাম মেহেদীকে।মেহেদী বললো ও এখনো ঘুমে।যাক নানা রকম ঝামেলা শেষ করে ১০.৩৭ এ বের হলাম বাসা হতে।উদ্দেশ্য বন্ধু পুনর্মিলন।দীর্ঘ বিরতির পর নানা অনুকূলতা প্রতিকূলতা পার করে আবার দেখা করছি আমি, মেহেদী চয়ন,ম্যারাডোনা ও নিঃস্ববালক।১১.০৭ এ নিউ মার্কেটে, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের ২তলায় মিলিত হলাম বহু দিন না দেখা নগরবালকের ম্যারাডোনার  সাথে।সেখানে এই পুনর্মিলনের প্রধান দুই আয়োজক নিঃস্ববালক ও মেহেদী চয়ন উপস্থিত ছিলো।মনটা ফুরফুরে হয়ে গেলো পুরানো বন্ধুদের পেয়ে, প্রস্তাব করলাম চল ধানমন্ডি লেকে যাই,সবাই সম্মত হয়ে গেলাম ধানমান্ড লেকে।সেখানে ছিলাম প্রায় ০২.৩০ পর্যন্ত।তারপর সেখান থেকে কলাবাগান হয়ে পায়ে হেটে নীলক্ষেত এলাম সস্তায় ভুনা খিচুরী খেতে।যাক খিচুরী আর খাওয়া হলো না আমার আর চয়নের চিরাচরিত ঝগাড়ার জন্য।আমি আর ম্যারাডোনা অভুক্ত অবস্থায় বাসায় ফিরে গেলাম,না খেয়ে আমি গেলা রাগের চোটে,ম্যারাডোনা কেন গেলো তা বঝুতে পারলাম না।

 যারা এতোখন আমার এই লেখা পড়ছেন তাদের মনে নিশ্চই এ প্রশ্নের উদয় হয়েছে কেন এই দীর্ঘ বিরতী হয়ে ছিলো আমাদের এই বন্ধুত্বের মাঝে? আরে তা ব্যাখ্যা করার জন্যই তো আমার এই ব্লগ লিখা।সাধারন ইউজার রা ঠান্ডা মাথায় আরাম করে বসে পড়েন,নগর বালকের কুখ্যাত সাবেক মডারেটররা মুক্ত মষস্তিকে,আর নগর বালকের কর্মকর্তারা দায়িত্বশীল ভাবে এই পোষ্টা পড়েন।


পরীক্ষা পদ্ধতি

ব্লগার: Mezan Khan

ট্যাগকৃত: বাংলা ব্লগ

Mezan Khan
বিশ্বে যা কিছু প্রথম তার অনেক কিছু আমাদের অবগত নয়। এরকম কিছু বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আপনাদের জ্ঞাতার্থে লিখছি। আজকে থাকছে পরীক্ষা পদ্ধতির প্রথম প্রচলনের ইতিহাস। বিদ্যালয়ে পরীক্ষা পদ্ধতি প্রথম প্রচলন হয় ব্রিটেনে ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দে স্রুসবেরি স্কুলের হেড মাস্টার ড. স্যামুয়েল বটলার সর্বপ্রথম এ পদ্ধতি চালু করেন। সেখানে মানবন্টন করা হয় এভাবে- V= Very good W= Well T= Tolerable B= Bad

পাথরে ফুলের বাগান

ব্লগার: Nejam Kutubi

ট্যাগকৃত: বাংলা ব্লগ

Nejam Kutubi

ভুল করে আমি পাথরে করেছি ফুলের বাগান শেকড়-বাকড় বাড়ায়না গাছ গুলোর কি করে বাড়বে বলো? পাথর তো!! ভুল করে ফুলও ফুটল এক দিন রস-মস গন্ধ বিহীন আর যাই বলো, পাথর তো!! রসহীন পাথর হৃদয় হীন পাথরেও ফুল ফুটে তবে ভালবাসা ও প্রেমহীন।


অদৃশ্য পাঙ্খা গজানোর বৃত্তান্ত

ব্লগার: voot

ট্যাগকৃত: বাংলা ব্লগ

voot
জীবনে অনেক বার একটা কথা শুনেছি যে “1st year damn care”।এতদিন কথাটার বহু বিশ্লেষন করেছি কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারনে পুরো ব্যাখা কোনদিনই খুজে পাইনি।সাম্প্রতিককালে ঘোলা জল পরিষ্কার হতে শুরু করেছে(বড়দেরও অনেক জিজ্ঞেস করেছি কথাটার মানে কি?কেন বলা হয়?সবাই একটাই বলত 1st year এ উঠো নিজেই বুঝবা)।এখন কথাটার যথার্থতা যথার্থই অনুধাবন করিতেছি।1st year এ উঠে গেছি তো এই জন্য।
গত শনিবার ৩টা থেকে ৪টা কেমিস্ট্রি পড়া ছিল,মাঝখানে ৪টা থেকে ৫টা ব্রেক ৫টা থেকে ৬টা ফিজিক্স পড়া।তো কেমিস্ট্রি পড়া শেষ করে ৪ জন চিন্তা করলাম আজকে ফিজিক্স পড়া ফাঁকি দেব।গেলাম বোটানিক্যাল গার্ডেন।তাও আবার চিড়িয়াখানা বাসে।বাসে উঠে আমাদের একজন বলল ভাড়া কত?বলে ৫ টাকা।তো সে বলল আমরা স্টুডেন্ট তারমানে ফ্রি।তারপর কোন মতে সে ফ্রি না করাতে পারলেও হাফ বানায়ে ফেলল।অতঃপর উদ্ভিদ উদ্যানে প্রবেশ করলাম।তারপর কি উদ্ভিদ দেখলাম,না কি দেখলাম সে প্রসঙ্গ না হয় বাদই দিলাম।
কিছুক্ষন ঐখানে থাকার পর বের হয়ে গেলাম ফুচকা খেতে,স্যারের পড়াও মামা বাড়ি গিয়ে ফুচকা খাচ্ছিল আর কি!
তারপর দিন গেলাম এক আপুর(আপু হলেও one of my best friend)সাথে নীলক্ষেত।ওখালে গিয়ে কাজ শেষ করে আর বাসায় না গিয়ে গেলাম ২ জনে মিলে ঢাবি তে।কিন্তু আগে তো কখনও যাই নি।রিকশাওয়ালাকে বললাম ঢাকা ভার্সিটি যাবেন।সে বলল ভার্সিটি কই যাবেন?কলা ভবন?বললাম হ্যাঁ ওখানেই যাব(এমন ভাব দেখালাম যে সব চিনি আসলেতো কিছুই চিনি না)।
ঢাবি’র কলা ভবনের ভিতরে কতক্ষন হাটাহাটি করে এইবার ভাবলাম টিএসসি যাব।তখন বের হয়ে এক রিকশাওয়ালাকে টিএসসি যাবেন?সে বলল এইটাই তো টিএসসি তো টিএসসি কই যাবেন?(কি লজ্জার ব্যাপার টিএসসি তে দাড়ায়ে জিজ্ঞেস করি টিএসসি যাবে কিনা)।তারপর রিকশাওয়ালা একগাল হাসি দিয়ে বিদায় নিল।
টিএসসি থেকে গেলাম বুয়েটে।বুয়েট শহীদ মিনারের সামনে নামার সময় আপু আবার এক বেফাস কথা বলে ফেলল শহীদ মিনার পিছনে রেখে বলল শহীদ মিনার সামনে
না?তো এই রিকশাওয়ালাও একগাল হাসি দিয়ে বুঝায়ে দিল যে তোমরা যে কিচ্ছু চেন না তা আমি বুঝে গেছি(ভাগ্যক্রমে আমার বুয়েট হাল্কা পাতলা চেনা ছিল)।
অতঃপর নেমে ঘুরাঘুরি করলাম,স্বপ্ন দেখলাম......ইত্যাদি ইত্যাদি......
তারপর বুঝলাম যে এইবার আমাদের ভ্রমন ক্ষান্ত দেয়া দরকার......অবশেষে বাসে উঠিয়া বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম।
আরও একটা কথা এখনো কলেজে ক্লাস শুরু হল না তাতেই এত বাদরামি শুরু করছি পুরো 1st year স্টুডেন্ট হলে না জানি পাখা কত বড় হবে!


(অফটপিকঃবাসে আসতে আসতে ভাবছিলাম,ইচ্ছে ছিল আপু যে কলেজে পড়ে সেই কলেজে ভর্তি হওয়ার কিন্তু কপাল খারাপ।আবার একদিক দিয়ে আপু বেচে গেছে কারন আমরা ২ জন এক ক্লাস তো দূরে থাক একই কলেজে থাকলেই নিঃসন্দেহে আপুর মত শান্ত শিষ্ট মানুষটা আমার মত একটা মিচকে শয়তান হয়ে যেত কারন সঙ্গ দোষে লোহা একটু হলেও ভাসে)


B.G...............নতুন কিছুর আশায়.........

ব্লগার: Maradona

ট্যাগকৃত: বাংলা ব্লগ

Maradona
নতুন ধারার সূচনা হচ্ছে B.G.................জগতে......... যার হাত ধরে এগিয়ে যাবে B.G.................তখন আপনারা ও বলবেন কেন আমরা এতো পড়ে এসেছি B.G........জগতে আগে কেনো আসলাম না.....................